কোনো দ্বিধা বা ভয় ছাড়াই শূন্য থেকে ইংরেজিতে সাবলীল হওয়ার পূর্ণাঙ্গ মাস্টার গাইডলাইন।
বাস্তব জীবনে কথা বলার জন্য এই ১০টি ক্যাটাগরি জানা অত্যন্ত আবশ্যক।
কারো সাথে প্রথম সাক্ষাত, কুশলাদি বিনিময় এবং হালকা আড্ডা শুরু করার নিয়মাবলি।
নিজের পরিচয়, পড়াশোনা, অভিজ্ঞতা এবং কাজের ক্ষেত্র সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা।
কেনাকাটা করা, দাম জিজ্ঞেস করা, ডিসকাউন্ট চাওয়া এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত কথা।
রেস্তোরাঁয় টেবিল বুক করা, খাবারের অর্ডার দেওয়া এবং বিল পে করার পদ্ধতি।
রাস্তাঘাট বা অচেনা জায়গায় দিকনির্দেশনা চাওয়া এবং কাউকে পথ বুঝিয়ে দেওয়া।
ফোনে কথা শুরু করা, মেসেজ দেওয়া, লাইন ক্লিয়ার না থাকলে বিনীতভাবে বলা।
অফিস মিটিং, বসের সাথে কথা বলা, ছুটি চাওয়া এবং প্রেজেন্টেশন দেওয়া।
এয়ারপোর্ট চেক-ইন, হোটেল রুম বুকিং এবং ভ্রমণের সময় সাহায্য চাওয়া।
নিজের মতামত দেওয়া, সম্মতি/অসম্মতি প্রকাশ করা এবং অনুভূতি জানানো।
ডাক্তারের কাছে সমস্যার কথা বলা, ফার্মেসিতে ওষুধ কেনা এবং জরুরি অবস্থা।
ঘরে বসেই একা একা দ্রুত ইংরেজিতে কথা বলার দক্ষতা বাড়াতে এই টেকনিকগুলো ব্যবহার করুন।
কীভাবে করবেন: কোনো নেটিভ স্পিকারের ইংরেজি অডিও বা ভিডিও চালু করুন। তিনি একটি বাক্য বলার ১ সেকেন্ড পরেই আপনিও ঠিক তার উচ্চারণ, টোন এবং গতি অনুকরণ করে সাথে সাথে মুখে বলুন। এতে আপনার মুখের জড়তা নিমেষেই কেটে যাবে।
কীভাবে করবেন: আপনার সাথে কথা বলার মতো কেউ দরকার নেই। আপনি সারাদিন যা করছেন বা দেখছেন, তা মনে মনে বা বিড়বিড় করে ইংরেজিতে বলতে থাকুন। যেমন: "Now I am making tea. The weather is cold today."
কীভাবে করবেন: ফোনের রেকর্ডার অন করে যেকোনো টপিকে ১-২ মিনিট বলুন। তারপর রেকর্ডটি শুনুন। দেখুন কোথায় আপনি বেশি আটকে যাচ্ছেন বা কোন শব্দের উচ্চারণে ভুল হচ্ছে। নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে যান।
কীভাবে করবেন: প্রতিদিনের যেকোনো একটি বস্তু (যেমন: আপনার ল্যাপটপ, ঘড়ি, টেবিল বা বৃষ্টি) বেছে নিন। সেটি নিয়ে তৎক্ষণাৎ ৫টি সহজ ইংরেজি বাক্য তৈরি করার চেষ্টা করুন।
কার্ডে ক্লিক করে সঠিক উত্তর, বাংলা উচ্চারণ ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেখে নিন।
প্রতিনিয়ত এই রুটিন মেনে চললে মাত্র ৩০-৪৫ দিনে আপনার ইংরেজিতে নাটকীয় পরিবর্তন আসবে।
যেকোনো সহজ ইংরেজি পডকাস্ট বা ইউটিব ভিডিও শুনুন এবং স্পিকারের কথা সাথে সাথে অনুকরণ করে মুখে বলুন।
আজকের অনুশীলনী থেকে নতুন ৫টি স্পোকেন স্ট্রাকচার বা বাক্য রিডিং পড়ুন এবং সেগুলো মনে মনে ঝালিয়ে নিন।
আয়নার সামনে বা ফোনে ভয়েস রেকর্ডার অন করে কোনো একটি টপিকে টানা কথা বলুন। নিজের রেকর্ডিং শুনে ভুল শুধরে নিন।